Thursday, April 21, 2011
Page 4
শীতে এক ভদ্রলোকের খুব ঠান্ডা লেগেছে অর্থাৎ প্রচন্ড সর্দি আর কাশি। তাই ডাক্তারের সরনাপন্ন হল...............
ভদ্রলোক: ডাক্তার সাহেব, বেশ কিছুদিন ধরে আমার প্রচন্ড ঠান্ডা লেগেছে। থামার কোন লক্ষন নেই।
ডাক্তার: কোন চিন্তা নেই। আমি কিছু ঔষধ দিয়ে দিচ্ছি। সেগুলো খেতে থাকুন।
প্রেসক্রিপশন ও ঔষধ নিয়ে ভদ্রলোক সেইদিনের মত বাড়ি চলে গেল।
বেশ কিছুদিন পর সেই ভদ্রলোক আবার একই ডাক্তারের সরনাপন্ন হল..................................
ভদ্রলোক: কি ব্যাপার ডাক্তার সাহেব। ঠান্ডা থামারতো কোন নাম গন্ধ নেই, উল্টো দেখি আরো বেড়ে গেছে।
ডাক্তার: কোন চিন্তা নেই। এবার আর কোন ঔষধ দিচ্ছিনা। আপনি সোজা বাড়িতে চলে যান। গিয়ে গরম পানি দিয়ে গোসল করুন। গোসল শেষে ঘরের সব জানালা খুলে মুক্ত হাওয়া খান।
ভদ্রলোক: কি বলছেন, এতেতো আমার নিউমোনিয়া হয়ে যাবে।
ডাক্তার: জানি এবং আমি তাই চাই
ভদ্রলোক: মানে?
ডাক্তার: মানে আমি শুধুমাত্র নিউমোনিয়ার নিরাময় করতে পারি ।
শুভ : বাবা, পোড়া আলু দেখতে তোমার কেমন লাগে?
বাবা : কেন ভালোই তো!
শুভ : ফোন এসেছিল। একটু আগে তোমার আলুর গুদামে আগুন লেগেছে! তোমাকে যেতে বলেছে।
শুভ : মিস, আপনি কি আমার বাবাকে কালকে ফোন দিয়েছিলেন?
মিস : আমি? নাতো!! কেন?
শুভ : না, মানে গতকাল আমি বাবার মোবাইলে লেখা দেখলাম, "ওয়ান মিস কল।"
এক লোক একবার অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। সেখানে এক সুন্দরী নার্স কে দেখে তার প্রেমে পড়ে গেল। রন্টি ঐ নার্সকে একটা লাভ লেটার লিখে ফেললো।
শুরু করলো এইভাবে, '
আই লাভ ইউ, সিস্টার...'
শুভ রাস্তার পাশের দেয়াল লিখন পড়তে পড়তে যাচ্ছিল।
হঠাৎ দেখল লেখা রয়েছে: <b>"যে পড়লো সে গাধা</b>"।
বেশ কিছুক্ষন চিন্তা করে শুভ ঐ লেখাটা পরিবর্তন করে লিখে দিল: <b>"যে লিখেছে সে গাধা"</b>।
শুভ : জানিস রন্টি নেপোলিয়ন বলেছিলেন যে তার ডিকশনারীতে 'অসম্ভব' বলে কোন শব্দ নেই।
রন্টি: 'আরে কেনার আগে দেখে নিলেই হতো ঐ শব্দটা ডিকশনারীতে আছে কিনা, তাহলেই তো আর এই দুঃখ থাকতো না।'
প্রেয়সীকে তুষ্ট করতেই হোক, আর আহ্লাদে গদগদ হয়েই হোক—কত মিষ্টি নামেই না প্রেয়সীকে ডাকা হয়! মুঠোফোনে তাই ‘জান’, ‘সোনা’ ইত্যাদি নামের বহর চোখে পড়ে। কিন্তু বিয়ের পর? উত্তরটা না হয় এ সৌদি দম্পতির কাহিনী থেকেই শুনুন। ভুল করে ফেলে যাওয়া স্বামীর মুঠোফোন ঘাঁটাঘাঁটি করতে গিয়ে কনটাক্ট লিস্টে চোখ আটকে যায় স্ত্রীর; নিজের নামের জায়গায় কুখ্যাত এক বন্দিশিবিরের নাম দেখে যারপরনাই আঁতকে ওঠেন তিনি। পরে শরণাপন্ন হন আদালতের; দীর্ঘ ১৭ বছরের সংসারজীবনের ইতি টানতে চান তিনি। কারণ স্বামী তাঁর নামের বদলে লিখে রেখেছেন ‘গুয়ানতানামো’ ।
রন্টি : কালকে ট্রেনে সারা রাতই বলতে গেলে ঘুমাতে পারিনি।
শুভ : : কেন?
রন্টি : আরে আমাকে দেয়া হয়েছে উপরের বার্থ! আর জানিস তো আমি উপরের বার্থে ঘুমাতে পারিনা।
শুভ : নিচের বার্থের লোকের সাথে এক্সচেঞ্জ করে নিলি না কেন?
রন্টি : আরে ভেবেছিলাম কোন লোক আসলে তার সাথে এক্সচেঞ্জ করবো,কিন্তু কেউ তো আসেনি ।
শুভ: ভাইয়া, দিন-রাত কী অত ভাবো বলো তো?
ভাইয়া: ভাবছি, বোকা লোকগুলো যদি সব মরে যায় তখন পৃথিবীটার কী হবে।
শুভ: তুমি এত স্বার্থপর! সারাক্ষণ শুধু নিজের কথাই ভাবো ।
রন্টি : বোকার মতো কথা বলিস কেন?
শুভ: তোর যাতে বুঝতে সুবিধা হয় সে জন্য।
রন্টি : শুভ তোর ব্লগে কৌতুকগুলো নাম্বারিং করিসনি কেন ?
শুভ: সমস্যা নেই আমি ভিন্ন ভিন্ন কালারিং করেছি ।
রন্টি : যাদের সাদা-কালো কম্পিউটার তারা কী করবে ?
রন্টি : ওজন কমানোর জন্য প্রতিদিন সকালে উঠে ঘোড়ায় চড়ে বেড়াতে বের হই।
শুভ: লাভ হলো কিছু?
রন্টি : ঘোড়ার ওজন ১০ কেজি কমে গেছে।
শুভ: কিরে দোস্ত, মন খারাপ কেন তোর?
রন্টি : আর বলিস না, একটা বই কেনার জন্য বাবার কাছে টাকা চেয়েছিলাম।
শুভ: টাকা দেয়নি?
রন্টি : না, বইটা নিজেই কিনে এনেছে।
একটা কাপ নিয়ে হাঁপাতে হাঁপাতে ঘরে ঢুকল স্বামী। তাই দেখে তার স্ত্রী বলল, ‘একি! এত হাঁপাচ্ছ কেন? এই কাপটাই বা কোথায় পেলে?’
স্বামী: দৌড় প্রতিযোগিতায় দুজনকে হারিয়ে এটা পেলাম।
স্ত্রী: মাত্র তিনজন নিয়ে দৌড় প্রতিযোগিতা?
স্বামী: হ্যাঁ, প্রথমে আমি, তারপর পুলিশ আর সবার পেছনে এই কাপটার মালিক।
মা: এই পার্থ, কী করিস তুই?
পার্থ: বিড়ালকে গোসল করাই, মা।
মা: ইস! ঠান্ডায় মরে যাবে তো!
কিছুক্ষণ পর সত্যি সত্যিই বিড়ালটা মরে গেল।
মা বললেন: কি, বলেছিলাম না ঠান্ডা পানিতে গোসল করালে মরে যাবে?
পার্থ: ঠান্ডায় মরেনি তো, মা। গোসলের পর চিপে পানি বের করতে গিয়ে মরে গেল।
রাতের বেলা কেনাকাটা সেরে রিকশায় বাড়ি ফিরছে নতুন দম্পতি। হঠাৎ স্ত্রী বলল, দেখো দেখো, চাঁদটা কী সুন্দর!
স্বামী গোমড়া মুখে বলল, রিকশা ভাড়া বাদে আমার কাছে আর একটা টাকাও নেই।
ঘটনা ১.
—এত মদ খাও কেন?