Thursday, April 21, 2011

Page 24

 ২০১১ সাল...দেশে বিশুদ্ধ পানি নেই, বিদ্যুৎ নেই, দ্রব্যমূল্যের দাম উর্দ্ধগতি- এমন সময় এক লোক তার পুকুর থেকে একটি মাছ ধরে বাড়ি নিয়ে এসেছে । এসে দেখে মাছ ধোয়ার মতো বিশুদ্ধ পানি নেই; তারপর সে বাধ্য হয়ে পুকুরের পঁচা পানি নিয়ে আসল এবং পানি ফুটানোর জন্য হিটার গরম করতে গিয়ে দেখল বিদ্যুৎ নেই । উপায় নেই দেখে মাছটি আবার পুকুরে ছেড়ে দিয়ে আসল । মাছটি পানিতে এক ডুব দিয়ে বলল- “বাংলাদেশ সরকার-জিন্দাবাদ”

১ম বন্ধু: জানিস দোস্ত, আমাদের পাড়ার সেই মনভুলো লোকটা মারা গেছে ।
২য় বন্ধু: ইন্না লিল্লাহি..... তা কীভাবে মরলো ?
১ম বন্ধু: সে এতো মনভূলো ছিলো যে নি:শ্বাস নিতে ভূলে গিয়েছিলো ।

শিক্ষক: কীরে শুভ, আজকে স্কুল আসতে এতো দেরী হলো কেন ?
শুভ: স্যার, আসার সময় দেখলাম সাইন বোর্ডে লেখা- “সামনে স্কুল,ধীরে চলুন” ।

রেল যাত্রী: দেখুন আপনারা যদি ঠিক সময়ে ট্রেন চালাতে না পারেন তবে শুধু শুধু কেন টাইম টেবিল ছাপান ?
রেল ম্যনেজার: আরে ভাই আমরা যদি টাইম টেবিল না ছাপি তাহলে আপনারা কী করে বুঝবেন ট্রেন দেরী করে ছাড়ল-কী না ?

মা ছেলেকে বলছে- তোর চেহারা দিন দিন বাদরের মতো হয়ে যাচ্ছে ।
ছেলে:  মা, তুমিই তো বলেছিলে আমার চেহারা আমার বাবার মতো হয়েছে ।

স্বামী, স্ত্রী এসেছে মার্কেটিং করতে ; কাপড় দেখতে দেখতে একসময়---
স্ত্রী: তোমার আসলে কোন Choice নেই ।
স্বামী: সে জন্যই তো তোমার মতো মেয়েকে বিয়ে করেছিলাম ।

অতিথি: আমি কাল সকালেই চলে যাবো-শুনে নিশ্চয় তুমি দু:খ পেয়েছ ?
গৃহকর্তা: এতে দু:খ পাবার কী আছে ? আমি তো ভেবেছিলাম তুমি আজই চলে যাবে ।

শালু: দোস্ত, আমার ১০০ টাকা ফেরত দিলে না ...
নজো: আরে! আমার তো মনে পড়ছে না কখন তোমার কাছ থেকে টাকা ধার নিয়েছিলাম ।
শালু: কেন, কাল তুমি যখন নেশায় বুদ ছিলে ।
নজো: মনে পড়েছে । কিন্তু সে টাকা তো আমি আজ সকালেই ফেরত দিয়ে দিয়েছি ।
শালু: কখন ফেরত দিলে ?
নজো: যখন তুমি নেশায় বুদ ছিলে ।

জেলার এক কয়েদিকে জিজ্ঞেস করলেন- তোমার কী আপন বলতে কেউ নেই ?
কয়েদি: কেন স্যার ?
জেলার: সব কয়েদির চিঠি আসে, এতোদিনে তোমার একটা চিঠি আসলো না ।
কয়েদি: তার কোন দরকার নেই, সবাই তো এই জেলেই রয়েছে ।

স্ত্রী স্বামীকে বলছে- উঠনা লক্ষীটি ...উঠ...
স্বামী ঘুম থেকে উঠে বিরক্ত হয়ে বলল- কেন কী হয়েছে ?
স্ত্রী: তেমন কিছুই হয় নি, তোমাকে ঘুমের বড়ি দিতে ভুলে গিয়েছিলাম, এক্ষুণি খেয়ে না

কয়েকটা ছোকরা এক বাড়ীতে ঢুকে বাড়ীয়ালার কাছে চাঁদা চাইছে ।
বাড়ীয়ালা: এতো টাকা কীসের চাঁদা ?
 ছোকরার দল: বেশী কথা বলবেন না ; তাড়াতাড়ি দিয়ে দিন । আপনার ভাই বিদেশ যাবে ।
বাড়ীয়ালা: আমার আবার ভাই এলো কোথা থেকে ?
ছোকরার দল: কেন ভোটের সময় আপনি তো বলেছিলেন- আমার ভাই, তোমার ভাই, কালু ভাই, কালু ভাই । এতো তাড়াতাড়ি ভুলে গেলেন ? তাছাড়া আমরা তো সবাই বাংগালী ভাই ভাই ।

বিজ্ঞান ক্লাসে শিক্ষক মাধ্যাকর্ষণ শক্তি সম্পর্কে বুঝিয়ে এক ছাত্রকে প্রশ্ন করলেন- বল তো গাছের আপেল পড়লে উপরে না গিয়ে নীচে পড়ে কেন ?
ছাত্র: স্যার, উপরে খায়ার লোক নেই বলে । তাছাড়া আপনি আপেল পড়ার কথা বলেছেন, ঠার কথা তো আর বলেন নি ।

স্ত্রী: আমি মরে গেলে তোমার কী হবে গো !
স্বামী: আমি পাগল হয়ে যাবো ।
স্ত্রী: তোমাদের পুরুষ জাতকে বিশ্বাস নেই, নির্ঘাত আরেকটা বিয়ে করবে ।
স্বামী: বললাম তো পাগল হয়ে যাবো আর তুমি তো জানো পাগলে কী না করে ।

বিচারক: যা বলবে সত্যি বলবে, সত্যি ছাড়া মিথ্যা বলবে না ।
আসামী: জ্বী হুজুর ।
বিচারক: তুমি এর আগে কতো বার চুরি করেছ ?
আসামী: একবার না, হুজুর ।
বিচারক: তুমি নির্ঘাত মিথ্যা বলছ ।
আসামী: মোটে  না, এর আগে তো আমি ডাকাতি করতাম ।

এক ট্যাকসী ড্রাইভার খুব জোরে গাড়ি চালাচ্ছিল । মোড়ের মাথায় তেমনি স্পীডে গাড়ি চালাতে দেখে প্যসেঞ্জার বলল- ভাই আস্তে চালান, খুব ভয় লাগে ।
ড্রাইভার: আমার তো লাগে ; আপনি মোড় ঘোরার সময় আমার মত চোখ বন্ধ করে থাকবেন।


Page 23

টিভির সংবাদপাঠক
-
শুভসন্ধ্যা। শুভ এখানেই শেষ। এখন খবর শোনা যাক


এক লোক দোকান থেকে রেজার কিনে বাসায় গিয়ে সেভ করতে গিয়ে দেখে রেজারটা ভাল কাজ করছে না
লোকটা দোকানদারের কাছে গিয়ে অভিযোগ করলো- ভাই আপনি আমাকে কী একটা রেজার দিলেন যা ভাল নয়, এইটা দিয়ে তো দাড়ি/গোফ কাটা যায় না
দোকানদারঃ আপনি কী বলছেন ভাই, আপনাকে রেজারটা দেওয়ার আগে আমি বার দাড়ি সেভ করে দেখেছি 'এটা তো চমৎকার কাজ করে।' আর এখন আপনি বলছেন রেজারটা ভাল নয়, এটা কি বিশ্বাস করা যায় না

Page 22


Nobody, Somebody, Mad তিন ভালো বন্ধু একদিন এক তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে Nobody হঠাৎ Somebodyকে হত্যা করল তারপর আরেক বন্ধু Mad পুলিশকে ফোন করে বলল-
Nobody killed Somebody.
পুলিশ: Are You Mad ?
Mad: Yes, I am Mad.

বড় ভাই: কিরে রন্টি, তোর হাতে এটা কিসের কাগজ রে ?
রন্টি: মার্কশীট ভাইয়া
বড় ভাই: দেখি তো...গাধা কোথাকার, এতো কম নম্বর কেউ পায় ?
রন্টি: ভাইয়া, এটা তো তোমার মার্কশীট

রোগী: ডাক্তার সাব, আমার পেটে বিরাট ব্যথা
ডাক্তার: তা আপনার পায়খানা কেমন ?
রোগী: আমরা গরীব মানুষ, আমাগোর পায়খানা আর কেমন হইবে আছে একটা বাঁশের পায়খানা, সামনে ছালা দেয়া

শিক্ষক: জীবজন্তুর বেশীরভাগই আমাদের কোন না কোন ভাবে উপকার করে, বলতো শুভ, পিঁপড়া আমাদের কী কোন উপকার করে ?
শুভ: করে, পিঁপড়া আছে বলেই আমরা বুঝতে পারি মা কোথায় মিষ্টি লুকিয়ে রেখেছে

এক বিদেশী ভদ্রলোক শখ করে গ্রামের এক বাজারে গেছেন-
দোকানী: স্যার, সব ফেরেশ মাল
বিদেশী: I see.
দোকানী: আইছেন যহন তাইলে বহেন
বিদেশী: O.K
দোকানী: , এর কথা কন এ তো আমার মাইঝা পোলা, স্যার

শিক্ষক: কেউ কী বলতে পারো পৃথিবীর ওজন কত?
ছাত্র: স্যার আমি বাংলাদেশের ওজন কত তা বলতে পারবো
শিক্ষক: অপদার্থ, বাংলাদেশের ওজন কোথায় পেলি ?
ছাত্র: কেন স্যার, বড় বড় ট্রাকের বডিতে লেখা আছে-সমগ্র বাংলাদেশ পাঁচ টন

১ম ব্যক্তি: ভাই এতো রাতে হারিকেন নিয়ে কই চললেন ?
২য় ব্যক্তি: আত্নহত্যার জন্য
১ম ব্যক্তি: তা স্পটটা কোথায় ঠিক করলেন?
২য় ব্যক্তি: নদীতে
১ম ব্যক্তি: তাহলে হারিকেন নিয়েছেন কেন ?
২য় ব্যক্তি: যা অন্ধকার রাত, সাপে কামড়ায় যদি ?

শিক্ষক:  বল তো রন্টি, মায়ের দুধের উপকারিতা কী ?
রন্টি:  মায়ের দুধ কোন পাত্র রাখার দরকার হয় না এমনকী বেড়ালও চুরি করতে পারে না

১ম বন্ধু: জানিস আমার ভাই পানিতে ডুবে থাকার নতুন রেকর্ড করেছে সে এক ডুবে ৩০ মিনিট পানির তলায় থেকে আবার উঠে এসেছে
২য় বন্ধু: তোর ভাইয়ের চেয়ে আমার ভাইয়ের পানিতে ডুবে থকার রেকর্ড বেশী সে একবার নদীতে ঝাপ দিয়েছিল, আর উঠে আসেনি আমার মতে এটাই সবছেয়ে বেশী সময় পানিতে ডুবে থাকার রেকর্ড

১ম বন্ধু: কী ব্যপার ওভাবে কোমরে দড়ি বেঁধে ঝুলে আছো কেন ?
২য় বন্ধু: আত্নহত্যার জন্য
১ম বন্ধু: তা গলায় না দিয়ে কোমরে কেন ?
২য় বন্ধু: গলায় তো দিয়েছিলাম, কিন্তু দম বন্ধ হয়ে আসছে যে

এক সিঁধেল চোর গৃহস্তের হাতে ধরা পড়ল ; তাকে আচ্ছা করে পিটুনি দিয়ে গৃহস্ত বলল: চুরি করতে তোর লজ্জা করে না ?
চোর: সেই জন্যই তো রাতের বেলা এসেছিলাম

বাংলাদেশ যে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সঙ্গে হারল, এর জন্য দায়ী কে?
কলম্বাস, কারণ সে ওয়েস্ট ইন্ডিজ আবিষ্কার করেছিল
 
বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজের খেলা কেমন দেখলেন?
আমি তো খেলা দেখিনি, যত দূর মনে পড়ে খেলার একটা হাইলাইটস দেখেছি
 
বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ খেলায় দর্শক হিসেবে আপনার সাফল্য কী ছিল?
গ্যালারির ভেতর ১৫০ টাকার বার্গার খেলা শেষে ২০ টাকায় কিনতে পারা
 
বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ খেলায় বাংলাদেশের ইনিংস শেষে আপনার কী মনে হয়েছিল?
দেশ থেকে কি ঝড়-বৃষ্টি একেবারে উধাও হয়ে গেল!
 
ওয়েস্ট ইন্ডিজ বাংলাদেশকে মাত্র ৫৮ রানে আটকে দিল, এতে আপনার প্রতিক্রিয়া?প্রতিক্রিয়ার কী আছে, আমরাও তো ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৫৯ রানের বেশি করতে দিইনি
 
১০ টাকার বাদাম কিনে খেলা দেখতে বসেছিলামএখনো ৩ টাকার মতো বাদাম আছে, এর মধ্যে খেলা শেষএখন কী করব?
কেউ আছেন? ৩ টাকার বাদাম বিক্রি হবে
 
৫৮ রানকে ১০ জন খেলোয়াড়ের মধ্যে ভাগ করে দিলে গড়ে মাথাপিছু কত রান পড়বে?
১০ জনের মধ্যে ভাগ করা যাবে নাকারণ, জুনায়েদ একাই করেছেন ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ২৫ রান!
 
বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজের খেলায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা কী?
আবদুর রাজ্জাকএই একটা ব্যাটসম্যানকে ওরা আউট করতে পারেনি
 
আইসিসির প্রতি একজন বাংলাদেশি দর্শক হিসেবে আপনার কোনো পরামর্শ!
ওয়ানডে ক্রিকেটেও ইনিংস ডিক্লেয়ার করে আবার খেলা শুরু করার ব্যবস্থা রাখা উচিত 

Page 21


ট্রেনে এক লোক তার সিটে বসছে না দেখে আরেকজন বলল- আপনি বসছেন না কেন ?
লোকটি উত্তরে বলল- জরুরী কাজে যাচ্ছ বসার সময় নেই

শিক্ষক : বলতো রন্টি, ডেঙ্গু মশা দিনের বেলা কামড়ায়, রাতে কেন কামড়ায় না ?
রন্টি : স্যার সম্ভবত ডেঙ্গু মশার রাতকানা রোগ আছে, তাই

এক শিক্ষিত ভদ্রলোক চশমা ছাড়া কিছুই পড়তে পারেন না একদিন তিনি চশমা না নিয়ে হোটেলে গেছেন ওয়েটার মেনু নিয়ে আসলে তিনি পাশের একজনকে পড়ে দিতে বললেন লোকটি তখন উত্তরে বলল- আমিও আপনার মতো পড়া-লেখা জানি না

রন্টি:  বাবা হিমালয় পর্বতটা কোথায় ?
বাবা: তোর মাকে জিজ্ঞেস কর ; তোর মা-ই তো সবসময় এখানকার জিনিস ওখানে আর ওখানকার জিনিস এখানে রাখে

শিক্ষক: বলতো রন্টি, মানুষের রক্তের গ্রুপ বিভিন্ন হয় কেন ?
রন্টি: মশারা যাতে বিভিন্ন ফ্লেভারের স্বাদ নিতে পারে


এক মূর্খ বাঙালী বিদেশে গিয়েছে একদিন তার বাসায় চোর এল ; সে তখন টেলিফোনে পুলিশকে বলছে-
কাটিং দা বাঁশের বেড়া, ঢুকিং দা চোর, লয়িং দা আসবাবপত্র, গোয়িং দা চোর
পুলিশ: What is “Baser Bera” ?
ব্যক্তি: বাঁশের বেড়া ইজ দা খাড়া খাড়া, ওপর দিয়ে পেরেক মারা

শিক্ষক: বলতো রন্টি, ১ মাইল পথ হেঁটে যেতে আঁধঘন্টা সময় লাগলে ৩ মাইল দূরে রসূলপুর যেতে মোট কত সময় লাগবে ?
রন্টি: ৩ দিন স্যার
শিক্ষক: অপদার্থ ! কেন ?
রন্টি: পথে যে আমার মামা বাড়ি স্যার

স্ত্রী রান্নাঘরে স্বামী বাথরুমে, এমনসময় ধপাশ শব্দ-
স্ত্রী: কী হল ? এত জোরে কিসের শব্দ ?
স্বামী: আমার জামাটা পড়ে গেছে
স্ত্রী: জামার শব্দ এতো জোরে হয় নাকি ?
স্বামী: জামার ভিতর আমিও ছিলাম

নানা তার নাতিকে নিয়ে শহরের হোটেলে এসেছে-
নাতি: নানা, হেই বেটায় কী খায় ?
নানা: চা
নাতি: নাগো নানা আমি চাইতে পারুম না ; শরম লাগে ...

দুই বন্ধুর মধ্যে কথা হচ্ছে-
শুভ: দোস্ত, ভূমিকম্প হলে মাটি কেঁপে ওঠে কেন ?
রন্টি: ভূমিকম্প খুব ভয়ংকর প্রাকৃতিক দুর্যোগ ; তাই ভূমিকম্প শুরু হওয়ার কথা শুনলে
মাটি ভয়ে কেঁপে ওঠে

শিক্ষক ক্লাসে ভূগোল পড়াচ্ছেন-
শিক্ষক: রন্টি বলতো খনিজ সম্পদ কাকে বলে?
রন্টি: যা মাটির নিচে থাকে তাই খনিজ সম্পদ
শিক্ষক: চমৎকার বলেছ ; কয়েকটা উদাহরণ দা তো
রন্টি:  যেমন-সাপ,ব্যঙ,কেঁচো ইত্যাদি

মাথায় আঘাত পেয়ে অজ্ঞান হয়ে গেছেন এক খেলোয়াড় কোচ দ্রুত ছুটে এলেন মাঠের মধ্যে , তারপর আহত খেলোয়াড়ের কাছে মুখ নিয়ে চিৎকার করে বলতে লাগলেন-
"তুমি কী আমার কথা শুনতে পাচ্ছ ? শুনতে পেলে একটা হাত উপরে তুলে নাড়ো ; আর না শুনতে পেলে দুই হাত ইপরে তুলে নাড়ো ।"

ছেলে হন্তদন্ত করে দৌড়ে বাড়িতে এসে হাজির হয়ে মা মা করছে
মা: কিরে রন্টি, তুই পরীক্ষা দিস নি ?
রন্টি: দিয়েই তো এলাম
মা: এত তাড়াতাড়ি ? ২০ মিনিটের ভিতর?
রন্টি: খুব কমন পড়েছে তো তাই
মা: কী কী কমন পড়েছে ?
রন্টি: ঐ তো নাম, রোল আর শ্রেণী

ছেলে আইসক্রীম খাচ্ছে তাই দেখে মা বলল- আইসক্রীম খাচ্ছো কেন ? ঠান্ডা লাগবে তো
ছেলে: না মা, আমি জ্যাকেট পরে আইসক্রীম খাচ্ছি , ঠান্ডা লাগবে কী করে  ?

ডাক্তার রোগীকে শান্তনা দিয়ে বলছে- আরে তুমি  এতো কাঁদছো কেন ? সামান্য ব্যথা লেগেছে ভালো হয়ে যাবে রোগী কান্না অবস্থায় বলল-ডাক্তার সাব, যে গাড়ীর সাথে ধাক্কা খাইছি তার পিছনে লেখা ছিলো 'আবার হবে দেখা" 

১ম বন্ধু: তিন দিন অফিসে যায় নি বলে ম্যনেজার আমাকে ছাটাই করে দিলো
২য় বন্ধু: তুই একটা আস্ত বোকা বলতে পারলি না তোর বাবা মারা গেছে
১ম বন্ধু: কী করে বলি, আমার বড় ভাই-ই তো ম্যনেজার

শিক্ষক :  বলতো রন্টি, কচুরিপানা পানিতে কেন ভাসে ?
রন্টি: ডুবতে পারে নাতো তাই

ছেলে বিয়েতে রাজি না হোয়ায় মেয়ের বাবা ছেলেকে লোভ দেখাচ্ছে-
মেয়ের বাবা: দেখো বাবা, তোমাকে আমি মোবাইল, পালসার, ফার্ণিচার, নগদ ২ লক্ষ টাকা সবই দেবো এখন তুমি ছাড়তে বললে কিছু ছাড়তে পারি ...
ছেলে: যান, বড়টাই ছেড়ে দিলাম মেয়ে বাদে সবকিছুই আমি নিতে রাজি

এক পানা পুকুরেরে ধারে এক পাগল দাড়িয়ে চিৎকার করছে- পাঁচ পাঁচ পাঁচ
জনৈক ব্যক্তির তখন কৌতুহল জাগল সে পাগলের কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করল পাগল তখন ঐ ব্যক্তিকে ধাক্কা দিয়ে পুকুরে ফেলে দিয়ে আবার চিৎকার করতে লাগল- ছয় ছয় ছয়

রন্টি: পৃথিবীতে অসম্ভব বলে কিছু নেই
শুভ: তাহলে জেব্রার একটা রঙিন ছবি তুলে দেখাস

ধূমপায়ী: আচ্ছা মৌলভী সাহেব, বেহেশতে কী সিগারেট পাওয়া যায় ?
মৌলভী: তা পাওয়া যায়, তবে আগুন পাওয়া যায় না, আগুনের জন্য দোজখে যেতে হবে

১ম বন্ধু: জানিস, আমাদের বাড়ীর সবাই বাথরুমে গান গায়
২য় বন্ধু: তাহলে তো বাড়ীর সবাই গান পাগল
১ম বন্ধু: আরে না না, বাথরুমের ছিটকিনিটা নষ্ট তাই ; একজন ভেতরে গেল এমনসময় যদি অন্য কেউ...

রন্টি ও শুভ নদীতে সাঁতার কাটছে, এমন সময়-
শুভ: চল রন্টি, একটু দূরে গিয়ে সাঁতার কেটে আসি
রন্টি: না ভাই, আমি ভালো সাঁতার জানি না,আমি যদি ডুবে যাই মা আমাকে মেরেই ফেলবেন

১ম ব্যক্তি: এই ছেলে ২ টাকার পান দে তো
বিক্রেতা: সাহেব আপনি কী খয়ের খান ?
১ম ব্যক্তি: না, না আমি খয়ের খান হতে যাবো কেন ? আমি তো সাকিব খান

Page 20


প্রথম জন:  বলতো আকাশের বিদ্যুrত ও ঘরের বিদ্যুতের মধ্যে তফাত কী ?
দ্বিতীয় জন: খুব সোজা, ঘরের বিদ্যুতের বিল দিতে হয়; আকাশের বিদ্যুrতএর কোন বিল দিতে হয় না


মা ছেলেকে ডেকে বললেন- কিরে সাজ্জাদ, তোকে না বলেছি দোকান থেকে দেয়াশলাই কেনার আগে জ্বলে কিনা টেষ্ট করে নিবি ; এখন একটা কাঠিও তো জ্বলছে না
সাজ্জাদ : কিন্তু মা আমি তো প্রত্যেকটা কাঠি টেষ্ট করে দেখেছি

রন্টি: আমার  সিংহের মুখোমুখি হয়ার ঘটনাটা তোকে বলেছি ?
শুভ: না তো ! কী হয়েছিল ?
রন্টি: সঙ্গে বন্দুক নেই, সিংহটা গর্জাতে গর্জাতে এগিয়ে আসছে ক্রমশ...
শুভ: হায় খোদা ! কী করলি তখন ?
রন্টি: পাশে চলে গেলাম, বানরের খাঁচার সামনে
  
একটি মশা তার মায়ের মধ্যে কথা হচ্ছে-
মশা: মা আমি কী থিয়েটারে যেতে পারি ?
মা মশা: যা, তবে পাবলিকের হাততালির সময় সাবধান থেকো



শিক্ষক: বলতো রন্টি, কোন প্রাণীর বুদ্ধি সবচেয়ে উঁচুতে ?
রন্টি: জিরাফের, স্যার

এক ভদ্রলোক বাজারে কাপড় কিনতে গেছেন-
ভদ্রলোক: আমাকে পর্দার কাপড় দেখান তো
দোকানদার: কয় গজ নেবেন ?
ভদ্রলোক: আরে রাখেন আপনার গজ, ইঞ্চিতে আসেন
দোকানদার: কত ইঞ্চি ?
ভদ্রলোক: ১৫ ইঞ্চি
দোকানদার: এটা কোনো জানালার সাইজ ?
ভদ্রলোক: জানালা নয়, আমার কম্পিউটারের মনিটর সাইজ
দোকানদার: কম্পিউটারে কেউ পর্দা লাগায় ?
ভদ্রলোক: আমি লাগাই, কারণ আমার উইন্ডোজ(জানালা)আছে  

১ম বন্ধু: কী রে দোস্ত, ইংল্যন্ড গিয়ে কী কী দেখলি ?
২য় বন্ধু: দোস্ত, একটা জিনিস দেখে খুবই অবাক হলাম ওখানে ছোট ছোট বাচ্চারাও আমার চাইতে ভালো ইংরেজী বলতে পারে

অফিসার: নাম কী ?
প্রার্থী: কেরামত আলী
অফিসার: বাবার নাম ?
প্রার্থী: আহম্মেদ আলী
অফিসার: বাড়ি কোথায় ?
প্রার্থী: নোয়াখালী
অফিসার: থাকেন কোথায় ?
প্রার্থী: মহাখালী
অফিসার: ওরে বাবা ! আচ্ছা আপনার ভাই-বোন ক'জন ?
প্রার্থী: স্যার এক হালি
অফিসার: কবি নাকি ? আচ্ছা এবার প্রশ্ন শুরু করি চট করে কতগুলো স্থানের নাম বলুন তো যেখানে সংখ্যা আছে
প্রার্থী: কুড়িগ্রাম, চৌদ্দগ্রাম, ষোলচড়, আড়াইহাজার
অফিসার: থাক থাক, আর বলা লাগবে না আচ্ছা বলুন তো-সরকারী বেসরকারী চাকরীর মধ্যে তফাত কী ?
প্রার্থী: সরকারী চাকরীতে বসের তোষামোদ করলে প্রমোশন হয় ; আর বেসরকারীতে কাজ ভালো জানলে প্রমোশন হয়
অফিসার: ঠিক আছে , কিন্তু আপনার চাকরীতো হবে না
প্রার্থী: কেন স্যার ?
অফিসার: আপনি সরকারী চাকরী করতে এসে যেভাবে বদনাম করলেন তাতে আপনাকে আমরা চাকরী দিতে পারি না
প্রার্থী: কিন্তু আমি তো সত্য বলেছি
অফিসার: অপ্রিয় সত্য বলতে নেই
প্রার্থী: কিন্তু বড় বড় কিতাবে আছে "সত্য কথা অপ্রিয় হলেও তা প্রচার করো'
অফিসার: তাই নাকি ! অনেক জানেন দেখছি; তাহলে আপনার চাকরী পাক্কা


স্ত্রী: বিয়ের আগে তুমি আমাকে সোনার গয়না দিয়ে রাজরাণী বানিয়ে রাখবে বলেছিলে আর আজকে তুমি আমার জন্য মেলা থেকে এই পোড়ামাটির গয়না কিনে এনেছ ?
স্বামী: ওমা রাগ করছ কেন ? আমিতো টিকই করেছি কবিতা শোননি " ও ভাই  খাঁটি সোনার চেয়েও খাঁটি, সে যে আমার দেশের মাটি ।"


ছাত্র: স্যার, ঘাস খেলে চোখের জ্যোতি বাড়ে ; তাই না ?
শিক্ষক: তোমার এমন ধারণা হলো কী করে ?
ছাত্র: আজ পর্যন্ত কোন গরু-ছাগলকে চশমা পরতে দেখিনি তো তাই


এক বন্ধু আরেক বন্ধুকে ডাকছে- "এই নিহা এই নিহা "
একজন প্রবীণ লোক তাই দেখে বললেন- তুমি যে নিহা নিহা করছ, ওর নাম কী নিহা ?
ছেলেটি: জ্বি-না ওর নাম নিরঞ্জন হালদার, সংক্ষেপে নিহা বলি
প্রবীণ: ভাগ্যিস তোমাদের আমলে আমার জন্ম হয়নি
ছেলেটি: কেন ?
প্রবীণ: আমার নাম যে শান্তনু লাহিড়ী


জেলার পদে ইন্টারভিউ হচ্ছে; একজন প্রার্থীকে ডাকা হলো-
প্রশ্নকর্তা: কয়েদি বেয়াদবি করলে কী করবেন ?
প্রার্থী: কয়েদির গালে কষে এক চড় মারব
প্রশ্নকর্তা: আর বেশী বেয়াদবি করলে ?
প্রার্থী: ঘাড় ধরে জেল থেকে বের করে দেবো


আত্নভোলা: বুঝলে গিন্নী, আমাদের বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে ছেলেটা কাঁদছিল; বড় মায়া হলো মনে হচ্ছে কেউ নেই ওকে বরং আমাদের সাথে রেখে দিই
গিন্নী: তুমি কী চোখের মাথা খেয়েছ ? ও তো আমাদেরই ছেলে



বাবা: রন্টি, তোদের না রেজাল্ট বেরিয়েছে ? অংকে কেমন করেছিস ?
রন্টি: ১০০ থেকে ১ কম পেয়েছি বাবা
বাবা: তার মানে ৯৯? তুই এতো ভালো করলি কীভাবে ?
রন্টি: বাবা তুমি ভুল করছো; আমি তো ০০ পেয়েছি  

মা ছেলেকে ঘুমপাড়ানি গান শোনাচ্ছেন-
মা: আয় আয় চাঁদ মামা টিপ দিয়ে যা...
ছেলে: মা চাঁদ নানা খুব ভালো, তাই না ?
মা: সে কি, চাঁদ তোমার নানা হলো কবে থেকে ?
ছেলে: বা রে, চাঁদ তোমার মামা হলে আমার কী হয়- নানাই তো


১ম বন্ধু: তোর ভাই না সৌদিতে থাকে ; ওখানে কী কাজ করে রে ?
২য় বন্ধু: তুই জানিস না ? আমার ভাই তো সৌদির এক এলাকার ডি.সি.
১ম বন্ধু: তাই নাকি ! তাহলে তো তোর ভাইয়ের সাথে কথা বলা দরকার
২য় বন্ধু: ডি. সি. মানে কিন্তু “ড্রেন ক্লিনার”