অনেক দিন পর ছেলে শহর থেকে এসেছে গ্রামের বাড়িতে। সবাই তাকে জড়িয়ে ধরে আদর করছে। মা ছেলেকে আদর করতে করতে বললেন-
মাঃ হ্যাঁ রে খোকা, তুই তো খুব শুকিয়ে গেছিস!
ছেলে এবার মায়ের সঙ্গে রসিকতা না করে আর থাকতে পারল না। বলল,
ছেলেঃ জি মা, খুব শুকিয়ে গেছি। তুমি কোনো চিন্তা করো না, বৃষ্টি হলেই আবার ভিজে যাব।
ক্লাসে শিক্ষক এক দুষ্ট ছেলেকে জ্বব্দ করার জন্য প্রশ্ন করল-
শিক্ষকঃ বল তো রন্টি, ঘুম পেলে আমরা বিছানায় যাই কেন?
রন্টি: স্যার, ঘুম পেলেও যে বিছানা আমাদের কাছে আসে না!
১ম বন্ধুঃ আমার মামা আগেই জানতেন, তিনি কখন কোথায় কীভাবে মারা যাবেন।
২য় বন্ধুঃ জ্যোতিষী বলে দিয়েছিল বুঝি?
১ম বন্ধুঃ না, জজ সাহেব বলে দিয়েছিলেন।
প্রেমিকাঃডার্লিং তোমার সরলতা, তোমার সৌন্দর্য, তোমার আত্ননিবেদন আমাদের প্রেমকে আনেকটা বাস্তবিক রুপ দিয়েছে ।
প্রেমিকঃহ্যাঁ ডার্লিং ! তোমার সম্পত্তি,তোমার ব্যাঙ্ক ব্যালেন্স, তোমার উদরতা এর জন্য পুরো পুরি সহযোগীতা করেছে ।
১ম মাতাল: যদি দুনিয়াতে মেয়েরা না থাকতো, তবে আমাদের শার্ট-প্যান্টের বোতাম কে লাগাতো?
২য় মাতাল: যদি দুনিয়াতে মেয়েরা নাই থাকতো, তবে শার্ট-প্যান্ট পরার দরকারই হতো না ।
Thursday, April 21, 2011
Page 18
বিচারক--তাহলে গত একমাসে দশটা চুরি তুমি একাই করেছো?
আসামী--হ্যাঁ হুজুর, যা দিনকাল পড়েছে কাউকে আর বিশ্বাস করা যায় না ।
রবীন্দ্রনাথের দুই বোন ও শরৎচন্দ্রের চরিত্রহীন বই দুটি একই সময়ে বেরিয়েছিল।
একদিন রবীন্দ্রনাথের সাথে শরৎচন্দ্রের দেখা। কবিগুরু হেসে বললেন--কি-হে চরিত্রহীন চললে কোথায়।
শরৎচন্দ্র মৃদু হেসে বললেন--ওই যে আপনার দুইবোন বাজারে বেরিয়েছে, তাই দেখতে ।
জ্যোতিষী : আপনি নিশ্চিত ১০০ বছর বাঁচবেন।
ভদ্রলোক : যদি এর আগে মরে যাই?
জ্যোতিষী : তাহলে মূল্য ফেরত নিয়ে আমায় জুতোপেটা করবেন!
ভাগ্নেঃ আচ্ছা মামা, বলতো সবচেয়ে সাহসী কে?
মামাঃ কেন, মানুষ ।
ভাগ্নেঃ দূর মামা, তুমি যে কি বল না! আরে মানুষ যদি এত সাহসীই হত তাহলে সামান্য মশার ভয়ে কি মশারির ভেতর লুকাত?
একদিন এক ব্যাঙ ভাগ্য পরীক্ষা করার জন্য জোতিষীর কাছে গেলো।
জোতিষী তাকে বললো : খুব শীঘ্রই এক সুন্দরী মেয়ের সাথে তোমার দেখা হবে। মেয়েটি তোমার সম্পর্কে সবকিছু জানে।
ব্যাঙ: চমৎকার! তার সঙ্গে আমার কোথায় দেখা হবে? পার্টিতে নাকি অন্য কোথাও?
জোতিষী : না! মেয়েটির বায়োলজি ক্লাশে।
মিসরের একটি পুরোন জিনিসের দোকানে এক পর্যটক ঢুকলেন। দোকানদার এগিয়ে এসে তাঁকে নানান জিনিস দেখাতে লাগল। সামনের একটি শো-কেসে একটি নর করোটি দেখতে পেয়ে পর্যটক জিঞ্জেস করলেন , “এই করোটি কার?” “এটি মহারানী ক্লিওপেট্রার,” সবিনয়ে জানালো দোকানদার । কিছুক্ষন বাদে ঘুরতে-ঘুরতে আর একটি খুলি চোখে পড়ল পর্যটকের। আগেরটির চেযে এই করোটি আকারে সামান্য ছোট। পর্যটক জিঞ্জেস করলেন , “এই করোটি কার?” দোকান দার বলল “এটি মহারানী ক্লিওপেট্রার হুজুর তবে এটা তাঁর ছোটবেলার করোটি ।
এই পৃথিবীতে সবচাইতে জটিল হল মানুষের মন। আত্যান্ত জটিল লজিক ফাংশনে গঠিত এই আদৃশ্য মনটা কে আমার কাছে মনে হয় বিধাতার দেয়া মানব দেহ পরিচালনার জন্য একটি এডিটেবল অপারেটিং সফটয়্যার। এরর কোড গুলো প্রথমে ডিফল্ট থাকে। যেই এডিটর এর কোড গুলি নিজের মত করে এডিট করে নিজের দেহে ইন্সটল করে নিয়েছে তার দেহ গাড়ি জনম ধরে সঠিক পথেই চলবে।
আসুন আমরা এই এডিটেবল অপারেটিং সফটয়্যার এর কোড গুলি নিজের মত করে এডিট করি এভাবে। আপনি যেকোনো বিষয়েই কোড লিখতে পারেন হতে পারে তা হাসির কোনো বিষয়।
if
{ বিষন্ন, কোনো কিছু ভাল লাগছেনা?
go to নদীর পাড়ে or সুন্দর কোনো জায়গায় or ফোন করুন প্রিয়জন কে;
but no মন খারাপ;}
else
গান শুনতে শুনতে ঘুমিয়ে পড়ুন ।
সিড়ি দিয়ে নেমে আসছিলেন জর্জ বার্নাড শ’ আর উপরে উঠছিলেন উইনস্টন চার্চিল। মুখোমুখি হতেই দু’হাত ছড়িয়ে শ’ বললেন, “আমি কখনো মুর্খদের পাশ কাটিয়ে যেতে দেই না”।
চার্চিল এক পাশে সরে দাঁড়িয়ে বললেন, “কিন্তু আমি দেই ।
প্রধানমন্ত্রী চার্চিলের কাছে চিঠি লিখলেন জর্জ বার্নাড শ’“আমার নাটকের উদ্ভোধনী অনুষ্ঠানে আপনার জন্য দুটি টিকিট সংরক্ষিত রাখলাম। আশা করি আসবেন, সঙ্গে আনবেন একজন বন্ধু যদি থাকে”।
সঙ্গে সঙ্গে জবাব লিখলেন চার্চিল, “প্রথম মঞ্চায়নে উপস্থিত হওয়া অসম্ভব। অবশ্যই আসবো দ্বিতীয় মঞ্চায়নে, যদি হয়” ।
প্রেমিক-প্রেমিকা,গাছতলায় বসে প্রেমালাপ করতে করতে প্রেমিক তার প্রেমিকাকে বলছে…
তুমি আমার জীবন,
তুমি আমার মরন।
তুমি আমার আশা,
তুমি আমার ভালবাসা।
তুমি আমার স্বপন,
তুমি আমার একমাত্র আপন।
তুমি আমার মোজা-জুতা,
তুমি আমার হাগা-মুতা।
প্রেমিকা বলছে wait, wait তুমি একটু থাম এবার আমি কিছু বলি।
প্রেমিকা তার সঠিক জবাব দিতে গিয়ে বলছে…
তুমি আমার সুখ,
তুমি আমার দুঃখ।
তুমি আমার হাসি,
তুমি আমার খুসি।
তুমি আমার আকাশ,
তুমি আমার বাতাশ।
তুমি আমার ব্যথার ট্যাবলেট,
তুমি আমার স্বদেশী টয়লেট ।
বাচার মতো বাচতে চাই
যথাসময়ে বউ চাই...
৫’৫” যার হবে Height,
Jeans যার হবে Tight.
চেহারা যার হবে Bright,
Weight যার হবে Light.
বয়সের পার্তক্য হবে Slight,
সামান্য সে হবে Quiet.
Dinner এ থাকবে Candle light,
উভয়ের মাঝে হবেনা কখনো fight.
সভাব চরিত্র হবে তার simple,
হাসলে তার গালে পড়বে Dimple.
বিশাল তার মন হবে Like Atlantic,
অবশ্যই,অবশ্যই হতে হবে Romantic.
মিলন হবে@ চাঁদনি Night,
অন্তর হবে full of delight
শালী ভার্সাস স্ত্রী
শালী সুন্দরী,
স্ত্রী ভাংগা গাড়ি,
শালী অবসরভাতা,
স্ত্রী মাথা ব্যাথা।
শালী সুস্বাদু,
স্ত্রী পচা কদু।
শালী ফুল,
স্ত্রী ফূল।
শালী কমলা,
স্ত্রী ঝামেলা।
শালী পাকা আম,
স্ত্রী ট্রাফিক জাম।
শালী মিষ্টির ভাণ্ডার,
স্ত্রী ঝগড়ার পাহাড়।
শালী বাখরখানি,
Page 17
ছেলেঃ আম্মু, একটা কাগজ দাও তো, বাবার নামটা লিখে দেয়ালে টানিয়ে রেখে দিই।
মাঃ কেন রে! তোর বাবার নাম দেয়ালে টানাতে হবে কেন?
ছেলেঃ না, যদি ভুলে যাই।
মাঃ ভুলে যাবি মানে? বাবা-মা’র নাম কেউ ভোলে?
ছেলেঃ আজ পড়া পারিনি বলে বাবা বললেন- এক থাপ্পড়ে তোর বাবার নাম ভুলিয়ে দেব। তাই•••
তিনজন নিরক্ষর কর্মচারী বসে গলপ্প করছিল।
প্রথম জনঃ হুনছোনি, আমাগো বড় স্যার মইরা গেছে গা।
দ্বিতীয় জনঃ হ, হাটফেল কইরা নাকি মরছে।
তৃতীয় জনঃ আহা রে, সারাজীবন স্যার কত বড় বড় পরীক্ষায় পাস করল আর মরার সময় ফেল করল!
দামি পোশাক পরা এক ভদ্রলোকের পকেটে এক পকেটমার হাত দিলেন। ভদ্রলোক পকেটমারকে ধরে ফেললেন -
ভদ্রলোকঃ ছিঃ তোমার লজ্জা করে না? আমার পকেটে হাত ঢুকিয়েছ? আমি তোমাকে পুলিশে দেব।
পকেটমারঃ স্যার, লজ্জা তো আপনার হওয়া উচিত। এমন দামি পোশাক পড়ে আছেন, অথচ পকেটে একটি টাকাও নেই।
দুই বোকার মধ্যে কথা হচ্ছে-
১ম বোকা: তুই কি জানিস, অত বড় বিমান কিভাবে রং করে ?
২য় বোকা : না তো খীভাবে হতে পারে ?
১ম বোকা: আরে গাধা, বিমানে উপরে উঠে গেলে যখন ছোট দেখায় তখন এক টানে রং করে দেয় ।
দুই বন্ধুর মধ্যে কথা হচ্ছে-
১ম বন্ধুঃ তুই আমার বাড়িতে মাসখানিক আছিস, তোর পরিবার চিন্তা করবে না?
২য় বন্ধুঃ তা আবার করবে না। আজই চিঠি লিখে সবাইকে তোর বাসায় আসতে বলব।
স্বামী তার স্ত্রীকে খুশি করার জন্য একদিন রান্না করার সিদ্ধান্ত নিলেন। কিন্তু তিনি তা করতে পারছেন না। এক পর্যায়ে স্বামীর রেসিপির ডিরেকশন অনুযায়ীই তো রান্না করছি, কিন্তু রান্না হচ্ছে না কেন?
স্ত্রীঃ রান্না হবে কি করে? তুমি তো আগুনই জ্বালাওনি।
স্বামীঃ কিন্তু এটা তো রেসিপিতে লেখা নেই।
স্কুলে দুই ছাত্র মারামারি করছে। তা দেখে
শিক্ষক- মারামারি কর না। তোমরা শিখবে বন্ধুত্ব। আগে দেবে, পরে নেবে।
ছাত্রঃ আপনি বলার আগেই আমি তা করেছি স্যার। ওকে প্রথমে একটা ঘুষি দিয়েছি। তারপর ওর লাথিটা আমি নিয়েছি।
দুই বন্ধুর মধ্যে কথা চলছে-
১ম বন্ধুঃ আচ্ছা বন্ধু, ব্যর্থ প্রেমিক বলতে কি বুঝিস।
২য় বন্ধুঃ তোর কথাই ধর। তুই যাকে পছন্দ করতিস সেই মেয়ে এখন আমার স্ত্রী।
স্বামীর কাছে আক্ষেপ করে স্ত্রী বলছে-
:তুমি তো আমার দুঃখ কিছুই বুঝলে না। আমি নীরবে মাসের পর মাস তোমার সংসারের সব যন্ত্রণা সহ্য করে যাচ্ছি।
:নীরবে? তাহলে ফোনে এত বিল উঠল কী করে, শুনি?
সিনেমা হলে সামনের সিটে নব দম্পতি্ কেবল বকবক করেই যাচ্ছিল। পেছনের সিটের ভদ্রলোক অনেকক্ষণ উসখুস করে অবশেষে বললেন-
:মাফ করবেন, আমি কিন্তু একটা কথাও শুনতে পাচ্ছি না।
স্বামীটি তখন রেগে গিয়ে বললেন-
:আমাদের স্বামীর-স্ত্রীর মধ্যে কথা হচ্ছে। আপনার আবার শোনার কী আছে সাহেব?
জীববিজ্ঞান ক্লাসে শিক্ষক এক ছাত্রকে জিজ্ঞেস করলেন-
শিক্ষকঃ মিঠু, বল তো, হাসপাতালে ডাক্তাররা যখন কোনো রোগীর অপারেশন করেন, তখন ডাক্তাররা নিজেদের মাথা-মুখ কাপড় দিয়ে ঢাকেন কেন?
ছাত্রঃ অপারেশনের সময় কোনো ভুল-ত্রুটি করে ফেললে রোগী যাতে কোনো অবস্থাতেই বুঝতে না পারে, কোন ডাক্তার এটা করেছেন- সেই জন্য স্যার!
এক লোক তার এক পরিচিতের কাছে কিছু টাকা পাবেন। কিন্তু বাসায় এসে তাকে পান না। এবার একটু কৌশলের আশ্রয় নিয়ে অনেকক্ষণ কলিংবেল চাপলেন। বের হলেন এক ভদ্রমহিলা।
ভদ্রমহিলাঃ কী চাই?
আগন্তুকঃ আপনার স্বামীর সঙ্গে দেখা করতে এসেছি। উনি কি বাসায় আছেন?
ভদ্রমহিলাঃ কেন, বলুন তো?
আগন্তুকঃ না, মানে সামান্য কিছু টাকা•••
ভদ্রমহিলাঃ ও তো বাসায় নেই। গতকাল বিকেলে মেয়ের বাসায় বেড়াতে গেছে।
আগন্তুকঃ মানে, ওনার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নিয়েছিলাম তো, সেটা শোধ করতে এসেছিলাম•••
ভদ্রমহিলাঃ ও! তাই, কাল মেয়ের বাসায় ও গিয়েছিল ঠিকই, কিন্তু রাতেই আবার চলে এসেছে। আপনি বসুন, আমি ডেকে দিচ্ছি।
১ম বন্ধুঃ তোকে যে টিয়া পাখি পাঠিয়েছিলাম, সেটা কেমন লাগল?
২য় বন্ধুঃ দারুন সু-স্বাদু ছিল।
১ম বন্ধুঃ বলিস কি? আমি ওটা ৫০০ টাকা দিয়ে কিনেছিলাম। ওটা ৭টা ভাষায় কথা বলতে পারত
২য় বন্ধুঃ তাহলে জবাই করার সময় কিছু বলল না কেন?
১ম ব্যক্তিঃ ছয় তলা থেকে দু’জন ব্যক্তি পড়ে গেল, কিন্তু কেউই আহত হল না!
২য় ব্যক্তিঃ এও কী সম্ভব!
১ম ব্যক্তিঃ সম্ভব, কারণ তারা দু’জন নিহত হয়েছিল।
শুভ: আচ্ছা রন্টি, হরিণের চামড়া তো দেখেছিস, কিন্তু হাতির চামড়া দেখাতে পারবি?
রন্টি: কেন পারব না!
শুভ: সে কী! কোথায়?
রন্টি: কেন, চিড়িয়াখানায়, হাতির গায়ে।
Subscribe to:
Posts (Atom)