Friday, February 15, 2013

Page 28


ছেলেরা বিয়ের আগে প্রেমিকাকে -
"
ভালোবাসি, বড় ভালোবাসি, এর
বেশী ভালোবাসা যায়
না!!! ও আমার প্রাণপাখি ময়না. . ." *_*
আর বিয়ের পরে বউকে-
*
*
*
*
*
*
*
"
অনেক বেশী, এর দাম অনেক বেশী, এত
দামী শাড়ী কেনা যায়না!!! এরপরেও
তো বাকি আছে গয়না. . .
===============

এক বাচ্চা ছেলে পোস্ট
অফিসে গিয়ে পোস্টমাস্টারকে বলল, “স্যার বিশ
পয়সার নয়টি টিকেট, পঁচিশ পয়সার তিনটে টিকেট
এবং চল্লিশ পয়সার
একটি টিকেট নিলে মেট কত টাকা লাগবে?”
পোষ্ট মাস্টার সবগুলো টিকেট ছেলেটার
দিকে বাড়িয়ে দিয়ে বললেন, “মোট
হয়েছে দুটাকা পঁচানব্বই পয়সাএই নাও তোমার
টিকেট
ছেলেটি বলল, “টিকেট লাগবে না
পোষ্টমাস্টার অবাক হয়ে বললেন,
তাহলে টিকেটের দাম জিজ্ঞেস করলে কেন?”
ছেলেটি বলল, “স্কুলে মাস্টার সাহেব আজ এই
অংকটা করে আনতে বলেছিলেনপারছিলাম
না তো, তাই আপনাকে দিয়ে করিয়ে নিলাম
=====================

বিভিন্ন ক্লাসে পড়া লেখার সিস্টেম-

1st-3rd class:
পরীক্ষার জন্য সব পড়তে হবে!!!!!

... 4th-8th class:
এই প্রশ্নটা খুব কঠিন,এইটা ছাড়া সব পড়েছি!!!!

9th-10th class:
শুধু important প্রশ্ন গুলো পড়েছি!!!!
...
11th class:
৪ চ্যাপ্টারই যথেষ্ঠ পাস করার জন্য!!!!!

12th class:
কাল কি পরীক্ষা yaar!!!!!

আর

ভার্সিটিতে :

সালা, বলতে তো পারতি আজ যে পরীক্ষা, আমি তো কলমও নিয়ে আসি নি!!!!!!!
=================

অসাম জোকস না পড়লে মিস
রাজা তার মেয়ের
জন্মদিনে রাজ্যের সকল
প্রজাদের দাওয়াত দিলেন
বিশাল আয়োজন হল, আয়োজনের
শেষ পর্যায়ে রাজা বললেন,
আমি আমার মেয়ের জন্মদিন
উপলক্ষে একটা ঘোষনা দিতে চাই
আমি আমার এই পুকুরে অনেক দিন
ধরে কিছু কুমির রাখিএখানে
এমন কোন বীরপুরুষ
কি আছে যে এই পুকুরের এক
প্রান্ত
থেকে অন্য প্রান্তে সাঁতার
কেটে যেতে পারবে?...
যদি কোউ পার তাহলে তাকে ১
কোটি টাকা অথবা আমারমেয়ের
সাথে বিয়ে দিব
কথা শেষ না হতেই দেখা গেল
একজন পুকুরের মধ্যে লাফ
দিয়ে সাঁতার কাটা সুরু
করে দিছেনলোকতে অনেক
কষ্টে সাঁতার কেটে পুকুরের অন্য
প্রান্তে উঠলেনরাজ্যের সবাই
দেখে তো হাত তালি দিতে লাগল
তখন
রাজা লোকটিকে জিজ্ঞাসা করলেন,
রাজাঃ তোমার সাহস
দেখে আমি মুগ্ধবল তুমি
কি চাও? আমার
মেয়ে নাকি ১ কোটি টাকা?
লোকঃ রাজা মশাই আমি আপনার
মেয়েকেও চাই না আর আপনার ১
কোটি টাকাও চাই নাআমি ওই
লোকটারে চাই যে আমারে
ঠ্যালা মাইরা পুকুরে ফালাই দিছে
===============

ভিক্ষুক :- স্যার..
২০টা টাকা দেন..
কফি খাবো
লোক :- কেন ?? কফি তো ১০
টাকা কাপ..
ভিক্ষুক :- স্যার, সাথে গার্লফ্রেন্ড
আছে তো, তাই..
লোক :- ভিক্ষুক হয়ে গার্লফ্রেন্ড ও
বানিয়েছ..
ভিক্ষুক :- জ্বী না স্যার..
গার্লফ্রেন্ডই বরং আমাকে ভিক্ষুক বানিয়েছে 
=============

ফলের মধ্যে খেলা হচ্ছে -

আপেলঃ আমি দেখতে মানুষের হার্টের মত !!
আঙ্গুরঃ আমি দেখতে মানুষের চোখের মত !!
আমঃ আমি দেখতে মানুষের পেটের মত !!







কলাঃ এরকম ফালতু খেলা আমি খেলি না ..

==================

একটি মুরগী তার বাড়ীর পাশের দোকান
থেকে ডিম কিনতে গেল,
দোকানদার বলল
ভিতরে আসো ভিতরে যাওয়ার পর
দোকানি প্রশ্ন করল.....
.
.
.

.
তুমি আবার ডিম কিনতে আসছো কেন ?
তুমি তো নিজেই ডিম পাড়তে পার !
মুরগী উত্তর দিলো, নাআমার হাসবেন্ড
কইছে ডিম পাড়লে আমার ফিগার নষ্ট
হয়ে যাবে তাই আমি ডিম পাড়ি না...!!
খিক খিক খিক
====================

ছাত্ররা ক্লাসে
(-_-) (-_-) (-_-) (-_-) (-_-) (-_-) (-_-) (-_-)
যখন স্যার পরীক্ষার তারিখ দেয়
(O_O) (O_O) (O_O) (O_O) (O_O) (O_O(
পরীক্ষার সময়
(
_) (_) (_) (_) (_) (_)
যখন ডিউটিরত স্যার হাটা দেয় পাশ দিয়ে
(
_) (_) (_) (_) (_)
পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর মুখ যেমন হয়
̯͡) ̯͡) ̯͡)̯͡) ̯͡) ̯͡) ̯͡)
====================

শিক্ষকঃ মনে করো তুমি জঙ্গলে আছ
ওখানে এক বাঘ চলে আসলোতখন
তুমি কি করবে?”
পাপ্পুঃ আমি গাছে চড়ব
শিক্ষকঃ যদি বাঘও গাছে চড়ে তখন?”
পাপ্পুঃ আমি তখন নদীতে নেমে সাঁতার
কাটবো
শিক্ষকঃ যদি বাঘও তখন
নদীতে নেমে যায়, তখন??”
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
পাপ্পুঃ ধুরও!!! আপনি কি আমার সাইডে,
না বাঘের
সাইডে?? আপনে কি আমারে মাইরাই
ছাড়বেন??
==============

টিচার : মদ আর প্রেমের মধ্যে সম্পর্কটা কি????

টিংকু : মদ বেশি খাওয়া হলে ছেলেরা বমি করে,

আর

প্রেম বেশি হয়ে গেলে মেয়েরা বমি করে!!!!!!!!
===================

আমেরিকান : তুমি কি সাঁতার কাটতে পার??

বাংলাদেশি : না.

আমেরিকান : তাহলে তো আমার দেশের কুকুর-ই তোমার থেকে অনেক ভাল,কারন এরা সাঁতার কাঁটতে পারে!!!!!!

বাংলাদেশী : তুমি কি সাঁতার কাঁটতে পার????

আমেরিকান : অবশ্যই পারি.

বাংলাদেশী : তাহলে তোমার আর কুকুরের মধ্যে পার্থক্যটা কোথায়????
যা ভাগ এখান থেকে কুত্তা কোথাকার!!!!!!!

আমেরিকান SHOOCKSS,
বাংলাদেশী ROOCKSS..........
==============

রাজধানীতে দুপুরে বাসায় কেউ নেইএক ভদ্র মহিলা কাপড় চোপড় খুলে গোসল করছেনএমন সময় বাসার কলিং বেল বাজলমহিলা ভাবলো, এমন দুপুর বেলায় কারও আসার কথা নয়নিশ্চয় ফকির এসেছেশরীর ভিজিয়েছি আবার কাপড় পড়বো? আচ্ছা কাপড় ছাড়াই লুকিং গ্লাস দিয়ে দেখি কে? যদি ফকির হয় তাহলে ভিতর থেকেই না করে দিবো ভিক্ষা দেওয়া যাবেনামহিলা দরজার ফুটা দিয়ে দেখেন, ফকির নয়, এসেছে পাশের বাসার অন্ধ ছেলে রাজুমহিলা ভাবলেন, কাপড় গায়ে নেই, অন্ধ রাজুর সাথে দরজা খুলে কথা বললেও সমস্যা কি? ও তো আর দেখবেনা আমি ল্যাংটাদরজা খুলে-
মহিলাঃ কি ব্যাপার রাজু তুমি এই দুপুর বেলায়, আবার তোমার হাতে মিষ্টিও দেখছি?
অন্ধ রাজুঃ জী খালাম্মা, এই মিষ্টিগুলো রাখেন, আম্মা পাঠিয়েছে
মহিলাঃ কি কারনে মিষ্টি রাজু?
অন্ধ রাজুঃ খালাম্মা আমি আজ সকাল থেকে দেখতে পাচ্ছি
==========================

শফিক মিঞা বেজায় বোকা
গ্রামের সব লোক
তাঁকে বোকা বলে খেপায়
রাগে-
দুঃখে বেচারা পাড়ি জমালেন
শহরে শহরে পথ
চলতে চলতে তিনি দেখলেন,
একটা দোকানে বেশ সুন্দর
কিছু
টিভি সাজানো আছে
দোকানে ঢুকে তিনি বিক্রেতাকে বললেন,
ভাই, আমি এই টিভিটা কিনব

বিক্রেতা : (রাগত স্বরে)
আমরা বোকা লোকদের
কাছে বিক্রি করি না খুবই
বিস্মিত হলেন শফিক
মিঞা
এ কী ! শহরের লোকেও
তাঁকে বোকা বলছে ! পরদিন
খুব সেজে গুজে সেই একই
দোকানে গেলেন বেশ ভাব
নিয়ে বললেন, ‘শুনুন, আমি এই
টিভিটা কিনব
দোকানদারের সেই একই
জবাব,
আমরা বোকা লোকদের
কাছে বিক্রি করি না
হতবাক হলেন শফিক মিঞা
আরে কী আশ্চর্য ! পরদিন
শফিক মিঞা এক ব্যবসায়ীর
ছদ্মবেশ নিলেন
দোকানে গিয়ে বললেন,
দেখি,
আপনাদের দোকানের
সবচেয়ে দামি টিভিটা দেখান
তো ?’
দোকানদারের একই জবাব !
আমরা বোকা লোকদের
কাছে বিক্রি করি না
শফিক মিঞা : আরে ভাই,
কী মুশকিল ! আমার কী দেখে,
কেন আপনার মনে হলো,
আমি বোকা ?
বিক্রেতা : কারণ, একমাত্র
বোকারাই মাইক্রোওয়েভ
ওভেনকে টিভি মনে করে !
এটা টিভি নয় ,
মাইক্রোওয়েভ ওভেনের
দোকান !
===================

ম্যাডাম: বলতো MBBS
মানে কি?
ছাত্র: মা বাবার বেকার
সন্তান.
ম্যাডাম: বলতো BBA
মানে কি?
ছাত্র: ভালো বাসি আপনাকে
ম্যাডাম: বলতো MBA
মানে কি?
ছাত্র: ম্যাডাম
ভালোবাসে আমাকে
================

শিক্ষকঃ বলতো পৃথিবীর
সবচাইতে ভয়ঙ্কর
প্রাণী কোনটি??
বল্টুঃ স্যার, মশা.
শিক্ষকঃ কিভাব?!!
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
বল্টুঃ কারণ বাঘের
ভয়ে আমরা বাঘকে খাচায়
ভরে রাখিকিন্তু
মশার
ভয়ে তো আমরা নিজেরাই
খাচার ভেতর থাকি!! :P
স্যার খাইলো একটা SHOOCKK..
বল্টু একদম ROOCCKK...
===============

আবুল দৌড়াতে দৌড়াতে তার বন্ধুর কাছে গিয়ে বলল, "দোস্ত ঐ মেয়েটির হাত থেকে আমাকে বাঁচাপ্লিজ দোস্ত।"

বন্ধুটি বলল, কি হয়েছে বল???

আবুল: "আরে দোস্ত,, আমি রোমান্সের মুডে মেয়েটিকে বলেছিলাম, “তুমি যদি চাও তাহলে আমার বুকটা কেটে দেখতে পার, সেখানেও তোমার নামটা লেখা আছে
'
'

'
'

তারপর থেকে মেয়েটি চাকু নিয়ে আমার পিছনে পিছনে দৌড়াচ্ছে! 
=================================

Page 27


এক অফিসের তিনজন কর্মকর্তা দুপুরে খাবার টেবিলে বসে তাদের জীবনে ঘটে যাওয়া কিছু কাকতালীয় ঘটনা নিয়ে আলোচনাকরছেন
১ম ব্যক্তিঃ আমার বউ একবার "দুইশহর" বইটি পডতে ছিলএবং তারপর সে আমাদের জমজ বাচচা উপহার দেয়
২য় ব্যক্তিঃ আমার বউ একবার "তিন পাগলেরমেলা..."
বইটি পডতে ছিল এবং তারপর সে আমাদের একসাথে তিনটা বাচচা উপহার দেয়
৩য়ব্যক্তিঃ ইয়া আল্লাহ!!! আমাকে এক্ষুনি বাসায় যেতে হবে!!!!"
কেন?"- অন্য দুইজন এক সাথে জিজ্ঞেস করল
৩য় ব্যক্তি বলল" আমি যখনবাসা থেকে বের হলাম তখন বউ" আলি বাবা ও চল্লিশ চোর"বইটা পডছিল!

=====================

এক মহিলা প্রতিদিন তার বাড়ির
বারান্দায় দাঁড়িয়ে চিৎকার করে-
সকল প্রশংসা আল্লাহর
পাশের বাড়ির এক নাস্তিক তাই
শুনে জবাব দেয়- আল্লাহ বলতে কিছু নেই
একদিন মহিলা বারান্দায় দাঁড়িয়ে চিৎকার করলো-
আল্লাহ, আমার
বাজারটা করে দাও
একটু পরে সে দেখলো তার বাড়ির
বাইরে ব্যাগ ভর্তি তরকারি-মাছ
ইত্যাদি পড়ে আছে
সে তা দেখে চিৎকার করে বললো- সকল
প্রশংসা আল্লাহর
পাশের বাড়ির নাস্তিকটি বললো,
আল্লাহ বলে কিছুই নেইআমি ওই বাজার
করে দিয়েছি
মহিলা বললো- সকল প্রশংসা আল্লাহরতিনি শুধু
আমার বাজারই করে দেননি, শয়তানকে দিয়ে তার দামও
পরিশোধ
করিয়েছেন
=======================

স্বামীঃ কোথায় যাও তুমি?
বউঃ আত্নহত্যা করতে
স্বামীঃ তাহলে এত মেকাপ কেনো?
.
.
.
.
.
.
.
বউঃ ওমা! কাল সকালে পত্রিকায়
আমার ছবি আসবেনা!!!!
=======================

ভাগ্নেঃ মামা, তুমি কথায় কথায় আমাকে শুধু মার কেন ?

মামাঃ আমি তোকে খু-উ-ব ভালবাসি, সে জন্যই মারি তুই একদিন বড় হবি, মানুষের মতো মানুষ হবি,সে জন্যই তো শাসন করি, মারি আসলে এই মারা ভালোবাসারই বহিঃপ্রকাশ

ভাগ্নেঃ আমিও তোমাকে খুব ভালবাসি মামা, কিন্তু প্রকাশ করতে পারি না
=================

পথিক: এই মেয়ে, তোমার নাম কী????
মেয়ে: আই নট.....
পথিক: এ আবার কেমন নাম?
মেয়ে: বুঝলেন না, আমার নাম আমিনা.......
পথিক: ও তুমি তো খুব বুদ্ধিমতী মেয়ে!!!
তা, তোমার বাবা কে.....?কার মেয়ে তুমি......?
মেয়ে: ফাদারস.....
পথিক: ফাদারস? সে আবার কে?......
এ গ্রামে তো এমন অদ্ভূত নামের কেউ
নেই.......
মেয়ে: এবারও বুঝলেন না ! আমার আব্বুর নাম
আব্বাস.....

===================

এক মহিলা প্রতিদিন তার বাড়ির
বারান্দায় দাঁড়িয়ে চিৎকার করে-
সকল প্রশংসা আল্লাহর

পাশের বাড়ির এক নাস্তিক তাই
শুনে জবাব দেয়- আল্লাহ বলতে কিছু নেই

একদিন মহিলা বারান্দায় দাঁড়িয়ে চিৎকার করলো- আল্লাহ, আমার
বাজারটা করে দাও

একটু পরে সে দেখলো তার বাড়ির
বাইরে ব্যাগ ভর্তি তরকারি-মাছ
ইত্যাদি পড়ে আছে

সে তা দেখে চিৎকার করে বললো- সকল প্রশংসা আল্লাহর

পাশের বাড়ির নাস্তিকটি বললো,
আল্লাহ বলে কিছুই নেইআমি ওই বাজার করে দিয়েছি

মহিলা বললো- সকল প্রশংসা আল্লাহরতিনি শুধু আমার বাজারই করে দেননি, শয়তানকে দিয়ে তার দামও পরিশোধ
করিয়েছেন
=====================

ডিজিটাল বাংলাদেশ
ধরেন টেকনাফ টু তেঁতুলিয়া পুরা বাংলাদেশ
ডিজিটাল হয়া গেল
কি অবস্থা হবে তাহলে তার কিছু
খন্ডচিত্র
১.
:
খালাম্মা ডেকচির ঢাকনা খুইজ্জা পাইনা
:
এক কাজ কর। "ডেকচির ঢাকনা"
লেইখা গুগলে সার্চ দে
২.
:
ছোটাপ্পি, পাশের বাসার বাবুটার
রক্তে ম্যালিরিয়ার ভাইরাস পাওয়া গেছে
আমার ও তো হবে
:
ভয় পাস না গিট্টুতিন দিন পর পর তোর
এন্টিভাইরাস নেট থেকে আপডেট
করে দিবোতুই
খালি প্রতি সপ্তাহে পুরা বডি স্ক্যান
করবি
৩.
:
আয়হায়রে দোস্ত
শার্টে চা পইড়া তো ভাইসা গেলোএকটু
পর ল্যাব ভাইবা
:
খাড়া ফটোশপ CS100 দিয়া তোর শার্টের
দাগ মুইছা দিতাছি
৪.
:
ওগো শুনছোআমার না খুব ভয় করছে
যদি রাতে চোর আসে
:
ক্যান? বাড়ির চারপাশে ফায়ারওয়াল
এক্টিভেট করা আছেনা?
৫.
:
বাবু উঠোতোমার স্কুল টাইম
হয়ে গেছে তো
:
এই বৃষ্টিতে কীভাবে স্কুলে যাবো মা?
:
তোমাকে ই মেইল
করে স্কুলে পাঠাবো বাবা।:
========================

স্বামী টিভি দেখছিল
হঠাত চিৎকার করে উঠল: কবুল বলিস না! কবুল বলিস না!! কবুল বলিস না!!!
রান্নাঘর থেকে স্ত্রী জিজ্ঞেস করলো: টিভিতে কি দেখছ?
স্বামী: আমাদের বিয়ের ভিডিও
=================

Husband & wife.....
মেয়ে: এই সপ্তাহে শুধু shopping, Next
সপ্তাহে resturent এ খাওয়া, Next
সপ্তাহে long drive এ যাওয়া, Next.....
ছেলে: Next সপ্তাহে মাজারে যাব
মেয়ে: কেন?
.
.
.
.
.
ছেলে: ভিক্ষা করতে!!
======================

বাংলা সিনেমা আমাদের কে পাঁচটা জিনিষ শেখায় . . .

১. দুইজন জমজ ভাই থাকলে একটাঅবশ্যই গুন্ডা হবে
২. বোমার তার কেটে এটা নিষ্ক্রিয়
করতে চাইলে নায়ক সব সময় সঠিক তার কাটবে
৩. নায়ক মাইর খাওয়ার সময়
দেখাবেনা যে ব্যাথা পাচ্ছে না !
কিন্তু যখন নায়িকা সেবা করতে যাবে তখনই উহ আহ
শুরু হয়ে যাবে
৪. পুলিশ সব সময় মারামারির শেষে এসে বলবে আইন
নিজের হাতে তুলে নিবেন না
৫. বেশীরভাগ সময় এই নাইকার বাবা নায়কের বাবার
খুনি বা নায়কের মা/বাবা কেগরিব এই জন্নে চরম
অপমান করেছিল :p

আপনাদের আরো কয়টা মনে পড়লে শেয়ার করেন আমাদের সাথে...
======================

একটা আপেল দুই বন্ধু
ভাগাভাগি করে খাবে

পল্টু আপেল টা ভাগ
করে বড়
অংশটুকু নিল ,,
হাবলু: দোস্ত তুই বড় অংশ
নিলি আর
আমাকে ছোট অংশ
টা দিলি ? !
পল্টু : তুই
হলে কি করতি ? 
হাবলু: আমি বড়
অংশটা তোকে দিতাম । !
পল্টু: তাইতো বড়
অংশটা নিলাম
======================

একই কলেজের এক ছেলে এক মেয়েকে টিজ করার উদ্দেশ্যে বলছে-
ছেলেঃ যাইবা নাকিকাজী অফিস?! [;-)]
মেয়েঃ চল!
ছেলেঃ কই যামু?! :S
মেয়েঃ প্রিন্সিপালের কাছে!




ছেলেঃ ওমাহ্! আপু আপ্নের লগে কি একটু মশকরাও করা যাইবনা!!! [:O]
...





মেয়েঃ আরেহ উজবুক, ছুটি নিতে...

===================

ডাক্তার পাগলকে বলতেছে, এইটা কি???
পাগল : এইটা একটা ৫০০ পেইজের বই, আমি লিখেছি.
ডাক্তার : ৫০০ পেইজে তুমি কি লিখছ???
পাগল : প্রথম পেইজে লিখছি এক রাজা ঘোড়ায় চড়ে জঙ্গলে দিকে রওনা দিল. আর শেষ পেইজে লিখেছি রাজা জঙ্গলে পৌছাল!!!!!!
ডাক্তার : আর বাকি ৪৯৮ পেইজে কি লিখছ???

পাগল : টিগ ডিক টিক ডিক টিগ ডিক টিগ ডিক টিগ ডিক টিগ ডিক টিগ ডিক টিগ ডিক টিগ ডিক টিগ ডিক টিগ ডিক টিগ ডিক টিগ ডিক টিগ ডিক.......
=======================


একলোক মারা গেছে.
তো সে স্বর্গে গিয়ে দেখল একটা বিশাল ওয়াল দেয়াল-ঘড়িতে পরিপূর্ণ !!!
লোকটি স্বর্গের দূতকে জিঞ্জেস করল,
এখানে এতগুলো ঘড়ি কেন???
স্বর্গের দূত : এগুলো হল মিথ্যা ঘড়ি. প্রত্যেক মানুষের জন্য একটা করে মিথ্যা ঘড়ি আছে. দুনিয়াতে থাকা অবস্থায় কেউ যদিএকটি মিথ্যা কথা বলে তাহলে ঘড়িটি একবার ঘুড়বে, দুইটি বললে দুবার ঘুড়বে, এইভাবে যেযত মিথ্যা বলে তার ঘড়ি ততবার ঘুড়বে.
লোক : ঐ ঘড়িটি কার???
দূত : এটা mother তেরেসার ঘড়ি.
তার ঘড়িটি একবারও ঘুড়েনি !! তার মানে তিনিদুনিয়াতে
থাকা অবস্থায় একটাও মিথ্যা কথা বলেন নি.
লোক : বাংলাদেশের রাজনীতিবিদ-দের ঘড়িগুলো কোথায়???

দূত : তাদের ঘড়িগুলো আমাদের অফিসে আছে.
এগুলোকে আমরা টেবিল ফ্যান হিসেবে ব্যবহার করি !!!!!
====================

একটা মা উট আর বাচ্চার
মধ্যে কথা হচ্ছেঃ
বাচ্চা উটঃ মা আমাদের
পা এত
লম্বা কেন?
মা উটঃ মরুভুমিতে ভাল মত
দৌড়ানোর সুবিধার জন্য
আমাদের পা এত লম্বা
বাচ্চা উটঃ মা আমাদের
চোখের
পাপড়ি এত বড় বড় কেন?
মা উটঃ মরুভুমির বালু যেন
আমাদের চোখের
মধ্যে না ঢুকে সেই
জন্যে আমাদের চোখের
পাপড়ি এত বড় বড়
বাচ্চা উটঃ মা আমাদের
পিঠের উপর এত বড় কুজ কেন?
মা উটঃ আমাদের এই কুজের
মধ্যে পানি জমা থাকে
যেন
আমরা মরুভুমিতে অনেকদিল
পানি ছাড়া চলাফেরা করতে পারি
বাচ্চা উটঃ মা, আমাদের
মরুভুমিতে চলাফেরা করার
জন্য এত কিছু আছে, কিন্তু
মা……
মা উটঃ কি বাবা?
.
.
.
.
.
.
বাচ্চা উটঃ এত কিছু থাকার
পরও
আমরা ঢাকা চিরিয়াখানায়
কেন?
================